
মামলা সূত্রে জানা যায়, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকের অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৩৫ নম্বর আসামি আলেক। এদিকে আলেক আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কনিষ্ঠপুত্র জ্যোতির সহযোগী হিসেবে এবং তার শেল্টারে একের এক অপকর্ম করে বেড়িয়েছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলেও থামেনি আলেকের অপকর্ম।
আলেকের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগের পাহাড় দীর্ঘদিনের।
এলাকাবাসীর দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তিনি এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি ও বাড়িঘর জোরপূর্বক দখল, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, নারী কেলেঙ্কারিসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ৫ আগস্টের পরে আলেকের অবৈধ অর্থের প্রভাবে কথিত বিএনপি নেতাদের শেল্টারে তার অপকর্ম চলমান ছিল।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ওলিউল্লাহ জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কালু হাজীর রোড থেকে আসামি আলেকের নিজ বাসভবন থেকে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ওসি এমদাদুল হক জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইন মামলার আসামিদের নিয়মিত গ্রেপ্তারি অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত মামলার আসামি আলেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

