
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ব্যাসদেব রায় বিকাশ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের পদ্মা অয়েল কোং গোদনাইল, নারায়ণগঞ্জ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন মাহমুদ ফয়সালের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছে। এসব বিষয় বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
এ অবস্থায় সংগঠনের নীতিমালাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে তাকে সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে সংগঠনের নেতাকর্মীদের ফয়সালের সঙ্গে বাংলাদেশ ট্যাংকলরী ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দলীয় নীতি, আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার ‘সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে’ ফয়সালকে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সিদ্ধান্তটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল অনুমোদন করেন।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
তার বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১ জুলাই পদ্মা অয়েল পিএলসির গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে কর্মরত চেকার মো. রফিকুল ইসলামের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে কর্মীদের কাছ থেকে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয়ভীতি ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, গত ১ আগস্ট সকাল সোয়া ১১টার দিকে ফয়সাল অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে সঙ্গে নিয়ে ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে প্রবেশ করে আবারও একই পরিমাণ চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কর্মীদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ এবং চাকরি করতে না দেওয়াসহ হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

