আজ মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: আদালতের বারান্দায় বসে ছিলেন এক অসহায় মানুষ। মামলা করার প্রয়োজন, কিন্তু হাতে নেই প্রয়োজনীয় টাকা। সামনে একদিকে আইনের জটিলতা, অন্যদিকে সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর মতো অনেক মানুষের কাছে আইনি সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজন হয় একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আকবর আলীর সঙ্গে এমন মানুষের দেখা হয় নিয়মিত। প্রায় ১৮ বছর ধরে আইন পেশায় থেকে তিনি দেখেছেন মানুষের নানা সংকট, অসহায়ত্ব ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা। আর্থিকভাবে অসচ্ছল অনেক মানুষের মামলা তিনি বিনা পারিশ্রমিকে কিংবা সামর্থ্য অনুযায়ী নামমাত্র খরচে পরিচালনা করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

লমানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসে। মানুষের কথা শোনা, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করার যে মানসিকতা তিনি পরিবার থেকে পেয়েছেন, পরবর্তী জীবনে সেটিই তাঁর পেশাগত জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।

উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন। এরপর সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতিতে শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ পেশাগত যাত্রা। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যার সঙ্গেও তাঁর পরিচয় গভীর হয়।

মামলার ফাইলের আড়ালে মানুষের গল্প;

আদালতের প্রতিটি মামলার পেছনে থাকে একটি করে মানুষের গল্প। কোথাও জমি হারানোর আশঙ্কা, কোথাও পারিবারিক বিরোধ, কোথাও নির্যাতনের অভিযোগ, আবার কোথাও উত্তরাধিকার নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতা।

অ্যাডভোকেট আকবর আলীর কাছে আসা মানুষের অনেকেই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। মামলা পরিচালনার খরচ বহন করা তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন মানুষের ক্ষেত্রে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন তিনি।

কেউ পারিশ্রমিক দিতে না পারলে বিনা পারিশ্রমিকে মামলা পরিচালনা করেছেন, আবার কারও ক্ষেত্রে নামমাত্র খরচ নিয়েছেন—এমন তথ্য জানিয়েছেন তাঁর সঙ্গে কাজ করা ও আইনি সহায়তা নেওয়া ব্যক্তিরা।

আদালতের প্রতিটি মামলার পেছনে থাকে একটি মানবিক গল্প। কোথাও জমি হারানোর শঙ্কা, কোথাও পারিবারিক বিরোধ, কোথাও নির্যাতনের অভিযোগ, আবার কোথাও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা।

অ্যাডভোকেট আকবর আলীর কাছে আসা অনেকেই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। মামলা পরিচালনার ব্যয় বহন করা তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার চেষ্টা করেন।

কেউ পারিশ্রমিক দিতে না পারলে তিনি বিনা পারিশ্রমিকে মামলা পরিচালনা করেছেন, আবার কারও ক্ষেত্রে নামমাত্র খরচ গ্রহণ করেছেন—এমন তথ্য জানিয়েছেন তাঁর সহকর্মী ও সেবা গ্রহণকারীরা।

‘টাকার অভাবে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন’;

অ্যাডভোকেট আকবর আলী বলেন, “আইন সবার জন্য সমান। টাকার অভাবে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়—এই বিশ্বাস থেকেই আমি কাজ করি। একজন অসহায় মানুষ তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পেলে সেটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

এই কথার মধ্যেই তাঁর আইন পেশাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়। তাঁর কাছে একজন মানুষের আর্থিক সামর্থ্য ও আইনি অধিকার এক বিষয় নয়। সামর্থ্য কম হলেও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে—এই বিশ্বাস থেকেই অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট আকবর আলী বলেন, “আইন সবার জন্য সমান। টাকার অভাবে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়—এই বিশ্বাস থেকেই আমি কাজ করি। একজন অসহায় মানুষ তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পেলে সেটিই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

তাঁর এই বক্তব্যে আইন পেশা সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়। তাঁর মতে, আর্থিক সামর্থ্য ও আইনি অধিকার এক নয়। সামর্থ্য কম হলেও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে—এই বিশ্বাস থেকেই তিনি অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন।

আদালতের বাইরেও মানুষের সঙ্গে;

ভূমি বিরোধ, পারিবারিক বিরোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন, উত্তরাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে মামলা পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও কাজ করেন আকবর আলী।

আইন পেশার বাইরে আইনজীবীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয়। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘদিনের পেশাগত সম্পৃক্ততার কারণে আইনজীবী সমাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।

ভূমি বিরোধ, পারিবারিক বিরোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন, উত্তরাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে মামলা পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে আইন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করেন অ্যাডভোকেট আকবর আলী।

আইন পেশার পাশাপাশি তিনি আইনজীবীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘদিনের পেশাগত সম্পৃক্ততার কারণে আইনজীবী সমাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গেও তাঁর সুদৃঢ় যোগাযোগ গড়ে উঠেছে।

মানুষের আস্থাই বড় পরিচয়;

আইনজীবী হিসেবে একজন মানুষের দক্ষতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বিপদে পড়া মানুষের কথা মন দিয়ে শোনাও গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের মতে, এই জায়গায় অ্যাডভোকেট আকবর আলীর আলাদা একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

অর্থের অভাবে আইনি সহায়তা নিতে না পারা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তাঁর প্রতি অনেকের আস্থা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর কাছে এটি আলাদা কোনো পরিচয় নয়; বরং আইন পেশার দায়িত্বেরই অংশ।

প্রায় দুই দশকের কাছাকাছি আইন পেশার পথচলায় তাঁর সামনে এসেছে অসংখ্য মামলা, অসংখ্য মানুষ এবং অসংখ্য জীবনের গল্প। সব গল্পের পরিণতি এক নয়। কিন্তু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা থেকে সরে যাননি তিনি—এটাই তাঁর পথচলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

আদালতের বারান্দায় প্রতিদিন নতুন মুখ আসে। কেউ আসে অধিকার ফিরে পাওয়ার আশায়, কেউ আসে শেষ সম্বলটুকু রক্ষার জন্য। সেই মানুষের ভিড়ের মধ্যেই নিজের পেশাকে মানুষের সেবার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অ্যাডভোকেট আকবর আলী।

তাঁর কাছে আইন শুধু আদালতের কাগজপত্র আর যুক্তিতর্কের বিষয় নয়; আইন মানুষের অধিকার রক্ষারও একটি মাধ্যম। আর সেই পথেই মানুষের পাশে থাকার গল্প লিখে চলেছেন তিনি।

আইনজীবী হিসেবে দক্ষতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বিপদগ্রস্ত মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেত্রে অ্যাডভোকেট আকবর আলীর একটি স্বতন্ত্র গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

আর্থিক সংকটের কারণে যারা আইনি সহায়তা নিতে পারেন না, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর ফলে তাঁর প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি এটিকে আলাদা কোনো পরিচয় হিসেবে দেখেন না; বরং আইন পেশার দায়িত্বেরই অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন।

প্রায় দুই দশকের কাছাকাছি সময়ের পেশাগত জীবনে তিনি অসংখ্য মামলা, অসংখ্য মানুষ এবং অসংখ্য জীবনের গল্পের সাক্ষী হয়েছেন। প্রতিটি গল্পের পরিণতি এক নয়, তবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা থেকে তিনি কখনো সরে আসেননি—এটাই তাঁর পেশাগত জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

আদালতের বারান্দায় প্রতিদিন নতুন মুখ আসে। কেউ আসে অধিকার ফিরে পাওয়ার আশায়, কেউ আসে শেষ সম্বল রক্ষার প্রত্যাশায়। সেই মানুষের ভিড়ের মধ্যেই নিজের পেশাকে মানবসেবার সঙ্গে যুক্ত করে এগিয়ে চলেছেন অ্যাডভোকেট আকবর আলী।

তাঁর কাছে আইন শুধু আদালতের নথি ও যুক্তিতর্কের বিষয় নয়; এটি মানুষের অধিকার রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর সেই পথ ধরেই তিনি মানুষের পাশে থাকার গল্প রচনা করে চলেছেন।

Exit mobile version