সাব রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেনের ঘুষের দোকানের ক্যাসিযার দৈনিক মজুরী ভীত্তিক অফিসের ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ এর মাধ্যমে ১৫ অক্টোবর আনোয়ারা সদর ইউনিয়ন খিলপাড়া মৌজায় দেড় কোটি টাকা মৃল্যর ১০ শতক জমি সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন একই দিনে দুটি ভিন্ন দলিল এর মাধ্যমে নিবন্ধন করেন।
একটি পাওয়ার অব অ্যাটনি ( দলিল নং – ৪৪৩৫). এবং অপরটি সাব কবলা দলিল ( দলিল নং- ৪৪৩৭)।
সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে একই দিনে একই জমি দুটি দলিল নিবন্ধন করেন।
একই দিনে একই জমি পাওয়ার অব অ্যাটনি এবং সাব কবলা দলিল নিবন্ধন বেআইনী।
আনোয়ারায় সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন যোগ দানের পর আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রারি অফিস কে ঘুষের দোকান খুলে দৈনিক মজুরী ভীত্তিক অফিসের ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ কে ঘুষের দোকানের ক্যাসিয়ার বানিয়ে ঘুষের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন ও ঝাড়ুদার আহাদের ঘুষ-দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ আনোয়ারাবাসী।
আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেনের ঘুষের দোকানের দৈনিক আয় প্রায় তিন লাখ।
যত দলিল তত টাকা।
নিরীহ জনগণ নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং লক্ষ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দলিলের কমিশনে যেয়ে আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ঝাড়ুদার আহাদ দাতা-গ্রহিতাদের ভয়ভীতি দেখিয়েও মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলেই দলিল রেজিস্ট্রি বন্ধ রাখার অভিযোগ রয়েছে ঝাড়ুদার আহাদের বিরুদ্ধে।
সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেনের নির্দেশে ঘুষের টাকা, সরকারি ফ্রি আদায়, রেকর্ড রুমের তত্ত্বাবধান সহ সব লেনদেন করেন ঝাড়ুদার আহাদ।
সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন ও ঝাড়ুদার আহাদের দাপটে অতিষ্ঠ অফিসের অন্য স্টাফরা।
আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন
কর্মজীবনে যেখানে গেছেন সেখানেই বির্তক সৃষ্টি করেছেন – জাল দলিল – বেনামী দলিল – কাগজপত্র ছাড়া দলিল সৃজন করে এবং ঘুষের দোকান খুলে শিরোনাম হয়েছেন।
এই বিষয়ে জানার জন্য সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন কে একাধিক বার কল করলে ও রিসিভ না করে বার বার ফোন কেটে দেন।


