
মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা :সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিগত ৯ আগস্ট রাতে একটি ভাঙচুরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়।সেখানে উপজেলা জামায়াত ও শিবিরকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়। এ ব্যাপারে ১১ আগস্ট (সোমবার) বেলা সাড়ে ১২ টায় শ্যামনগর উপজেলা সংগঠনের মিডিয়া বিভাগ ও সাবেক প্রেসক্লাবের সভাপতি ডাক্তার আবু কাওসারের নেতৃত্বে একটি টিম শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রবেশ করেন, শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরজমিনে উপস্থিত হয়ে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরাসরি খোঁজখবর নেওয়া হয় । হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে,ডাক্তার মোঃ জিয়াউর রহমান তিনি জানান,” এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এরকম কোন ঘটনা ঘটে নাই। আমরা এই মিথ্যা ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং যারা এই মিথ্যা প্রচার করছে তাদেরকে খুঁজে বের করে অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে আগন্তু ব্যবস্থা নেওয়া জোর দাবি জানাচ্ছি”।
রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, “আমি নিজেও ফেসবুকে ভিডিওটি দেখেছি। ভিডিওটির সঙ্গে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোনো মিল নেই। গত কয়েক বছরেও এখানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এ গুজব ছড়িয়েছে।”
স্যাকমো মোঃ শাকির হোসেন বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। ভিডিওটি শ্যামনগরের হাসপাতালের নয়। এটি ব্যবহার করে একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে জামায়াত-শিবিরের ওপর দোষ চাপাচ্ছে ও গুজব ছড়াচ্ছে।”
শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবদুর রহমান বলেন, “ভিডিওটি কোথাকার, সেটিও নিশ্চিত নয়। অথচ আমাদের সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরাসরি দোষারোপ করা হচ্ছে। এটি আমাদের সাংগঠনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। আমরা এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
এ ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা প্রচার বলে মনে করছেন, যার মাধ্যমে একটি সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

