আজ মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

 

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি-

গাজীপুরের শ্রীপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে (২৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী উদ্ভব দাসের বিরুদ্ধে। হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন তিনি। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত উদ্ভব দাস ওই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক জানান, সীমা রানীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর উদ্ভব নিজেই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। ঘরের বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ ছিল। তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো বলেও জানান তিনি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্ত্রীকে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি আরও জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তাঁর গলা ও মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

Exit mobile version