আজ শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, কিন্তু শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না। বাংলাদেশে ফেরা তো দূরের কথা, তার কবর বাংলাদেশে দেওয়ার মতো সাহস আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেই।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মাগুরায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রব্বির কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছে। তারা ভারতের আওয়ামী লীগের একটি এক্সটেনশন ছিল। সেই এক্সটেনশনের অধিকাংশই পালিয়ে গেছে। কিছু দোসর এখনো হম্বিতম্বি করছে। তাদের মোকাবিলায় ছাত্রদলই যথেষ্ট। অন্য কোনো সহযোগী সংগঠনের প্রয়োজন হবে না।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বিদেশি চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকা কিংবা ভারতের কাছে মাথানত করে বিএনপি দেশ পরিচালনা করবে না। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত বাংলাদেশকে কোনো চাপ দিচ্ছে- এমন কিছু তার জানা নেই।

ভারতীয় হাইকমিশনারকে উদ্দেশ্য করে রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনা একজন দখলদার ছিলেন। তাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে অন্যায় করেছে। বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইলে শেখ হাসিনা এবং শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীরা, যারা ভারতে পালিয়ে রয়েছে, তাদের বাংলাদেশের সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এর আগে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সমালোচনা করেন তিনি বলেন, একাত্তরে পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করেছিল। একইভাবে শেখ হাসিনা পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেন। ২০২৪ সালের ৪ জুলাই মাগুরা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রব্বিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

Exit mobile version