
আর্জেন্টিনার জাদুঘরে জায়গা পেতে যাচ্ছে লিওনেল মেসির ক্যাপ্টেন আর্মব্যান্ড। ফুটবল ইতিহাসে চিরন্তন স্মারক হিসেবে মেসির আর্মব্যান্ড জাদুঘরে জায়গা পেলে এমন পরিকল্পনা হবে নজিরবিহীন ঘটনা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচেই শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নামবেন বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই বিদায়ী ম্যাচে তার পরিহিত আইকনিক আর্মব্যান্ডটি ফুটবল ইতিহাসের এক চিরন্তন স্মারক হিসেবে সংরক্ষিত হতে যাচ্ছে।
মাঠে কেবল একজন ফুটবলারই ছিলেন না লিওনেল মেসি। যোগ্য নেতৃত্বের সাথে সতীর্থদের আগলে রাখার কাজটিও করতেন তিনি। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে অবসান ঘটতে যাচ্ছে সবকিছুর। ৭ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইতি টানবেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে তার বিদায়ী ম্যাচে লিও’র আর্মব্যান্ডটি সংরক্ষিত হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের এক চিরন্তন স্মারক হিসেবে।
আর্জেন্টিনার সুরক্ষিত এক জাদুঘরে ক্যাপ্টেন আর্মব্যান্ডটি সংরক্ষিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এই আর্মব্যান্ড আর কখনোই কেউ পরতে পারবে না। ফলে খেলার মাঠের সাধারণ এক ক্রীড়া সামগ্রী রূপান্তরিত হবে দেশটির অমূল্য জাতীয় স্মৃতিচিহ্নে।
এর আগে ম্যারাডোনা বা মাসচেরানোর মতো কিংবদন্তিদের আর্মব্যান্ড ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকলেও, মেসির ক্ষেত্রে জাদুঘরে স্থায়ী ‘অস্পর্শনীয় স্মারক’ হিসেবে সংরক্ষণের পরিকল্পনা নজিরবিহীন ঘটনা। মেসির এই আর্মব্যান্ড সংরক্ষণ কেবল তার গোল বা শিরোপা জয়ের স্বীকৃতি নয়; বরং এটি এমন এক কিংবদন্তির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, যার প্রভাব খেলার গণ্ডি পেরিয়ে গেছে অনেক দূর।
এদিকে মেসির বিদায়ী আবহের বাইরে আলোচনায় এসেছে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচটি। ৭-০ গোলে আলবিসেলেস্তাদের একপেশে জয়টি জন্ম দিয়েছে সমালোচনার। বিমানযাত্রার ব্যবস্থা নিয়ে মতবিরোধের জেরে শেষ মহুর্তে আর্জেন্টিনা সফরে অস্বীকৃতি জানায় কয়েকজন সিনিয়র ফুটবলার।
অনূর্ধ্ব-২৩ দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া হয় বুরকিনা ফাসোর বিকল্প দল। তবে ১১ ঘণ্টার দীর্ঘ বিমানযাত্রার ক্লান্তি দূর করতে পারেনি দেশটির ফেডারেশন। ম্যাচ শুরুর মাত্র পাঁচ` ঘণ্টা আগে বুয়েনস আইরেসে পৌঁছে কোনো ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হতে হয় তাদের। এই ঘটনার জন্য আর্জেন্টিনা ও বুরকিনা ফাসোর ফুটবল ফেডারেশনের সমালোচনা করেন ফরাসি সাংবাদিক রোমাঁ মোলিনা। তার ভাষায়, এই ঘটনায় ‘শাস্তি ও পদত্যাগ’ পর্যন্ত হওয়া উচিত।

