আজ বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

 

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়া নিয়ে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে কলেজ রোড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেড় ঘন্টা ব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ। পরে পুলিশ উভয়পক্ষকে ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে দেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে কলেজে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয়পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। চলে লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এতে কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া অভিযোগ করেন, আলোচনা সভায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে আমরা প্রতিবাদ জানাই। এর পরপরই ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ছাত্রদলের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ইসলামী ছাত্রশিবিরের নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান বলেন, “তোলারাম কলেজের ভেতরে আমাদের নেতাদের মারধর করেছে। গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক উত্তাপকে ঘিরে এ ঘটনা ছাত্রদল ঘটিয়েছে। আমরা সেখানে গেলে লাঠিসোঁটা দিয়ে আমাদের কয়েকজনকেও আঘাত করেছে। আমিও মাথায় আঘাত পেয়েছি।পরে কলেজ রোড এলাকায় আবারও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘তোলারাম কলেজে আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্র শিবির ও ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের বিপুল সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং উভয়পক্ষকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

Exit mobile version