আজ রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

আজ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামার সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যকারিতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যতে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা গরম খাবার চালু করা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলোচনায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কুল মিলের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, শহর ও গ্রামের পার্থক্য এবং আর্থসামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে পৃথক পরিকল্পনা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামা উল্লেখ করেন যে, স্কুল মিল কেবল পুষ্টিই যোগায় না, বরং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ করা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখে।

এ সময় প্রাথমিক শিক্ষার তথ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।

বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Exit mobile version