
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেছেন, কিশোর শিক্ষার্থীদের থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক সবাইকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। মানুষ যত বেশি খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় যুক্ত হবে, সমাজে অপকর্ম, মাদকাসক্তি ও অপরাধপ্রবণতা তত কমে আসবে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা উন্নয়ন বিষয়ক সমন্বয় সভায় সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এসব কথা বলেন।
রায়হান কবির বলেন, “পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
তিনি বলেন, “সারাদেশে প্রাইম মিনিস্টার ওয়ালকাপ ফুটবলের আয়োজন করা হবে। নারায়ণগঞ্জেও এর আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছে আমাদের কিশোর শিক্ষার্থীদের থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক সবাইকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। মানুষ যত বেশি খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় যুক্ত হবে, সমাজে অপকর্ম, মাদকাসক্তি ও অপরাধপ্রবণতা তত কমে আসবে। তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।”
তিনি আরও বলেন, “এ কাজ বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তরের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা সম্ভব নয়।”
জেলার বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, অবৈধভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিবেশ দূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিফাত উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) আলীনূর খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিকেএমই-এর সহসভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, নাসিকের নগর পরিকল্পনাবিদ মো. মঈনুল ইসলাম, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন প্রমুখ।

