গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সংবাদকর্মী হৃদয় খান তার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলায় আনা অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে শ্রীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাওনা এলাকায় অবস্থিত একটি ফার্মেসিতে গিয়ে হৃদয় খানসহ কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া একটি ফেসবুক আইডির মাধ্যমে বাদীর ছবি ও ভিডিও প্রকাশের অভিযোগও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
তবে হৃদয় খান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, মামলায় উল্লেখিত তারিখ ও সময়ে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জানান, ২৫ মার্চ তিনি গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন এবং পরদিন নিজ বাড়িতে ছিলেন।
হৃদয় খান বলেন, মামলার বিষয়ে আমি আগে অবগত ছিলাম না। পরবর্তীতে অন্য একটি ঘটনার সূত্রে মামলার নথি সংগ্রহ করে জানতে পারি যে সেখানে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখিত সময়ে আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। প্রয়োজনে তথ্যপ্রযুক্তিগত উপাত্ত এবং প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা যেতে পারে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তার বক্তব্য যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়নি। এ কারণে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানান।
এদিকে হৃদয় খানের স্ত্রী জানান, ওই সময় তাদের সন্তানের বয়স ছিল ৪১ দিন। তার ভাষ্যমতে, স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা তাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসেন এবং তিনি তাদের সঙ্গে নিজ বাড়িতে যান। তার দাবি, মামলায় উল্লেখিত সময়ে হৃদয় খান পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তাইজুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি
।
অন্যদিকে, মামলার বাদীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিক ফোন নম্বরে কল করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী পায়েল সরকারের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন ব্যক্তিকে হয়রানির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।


