
চিঠিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ায় স্বপন শাহ্রের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এর লিখিত জবাব আগামী সাত দিনের মধ্যে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের কাছে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হলো।
চিঠিতে আরো বলা হয়, যথাসময়ে নোটিশের জবাব দিতে ব্যর্থ হলে স্বপন শাহ্র বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা স্বপন শাহ বলেন, ‘কেন আমাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে আমি জানি না। তবে আমি ধারণা করছি, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যারা লুটপাট করে খেয়েছে তারাই এখন বিএনপিতে ঢুকে এমপির নাম ভাঙিয়ে লুটপাট করছে।
দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এসব বিষয় নিয়ে আমি প্রায়ই প্রতিবাদ করি। এসব কারণই হয়তো আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে থাকতে পারে।’
এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল আলম ছোটন বলেন, ‘তার বিভিন্ন বিতর্কিত কার্যকলাপে দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
তাই তাকে নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।’

