আজ সোমবার, মে ১৮, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ পুলিশ ও পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অপপ্রচার বন্ধ, ভুয়া ফেসবুক পেজ অপসারণ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ন্যাশনাল ল ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু এ নোটিশ পাঠান।

তথ্য সচিব, আইজিপি, বিটিআরসিসহ সংশ্লিষ্টদের এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে কিছু চিহ্নিত ব্যক্তি ও গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশ পুলিশ এবং পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য প্রচার করে যাচ্ছে। এছাড়াও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি-এর নাম ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক পেজ ও আইডি খুলে সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, অপপ্রচার এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানি সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করছে। উক্ত কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, বিশেষ করে— সাইবার নিরাপত্তা আইন, দণ্ডবিধি, মানহানি সংক্রান্ত আইন এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিধানের পরিপন্থি।

নোটিশে বাংলাদেশ পুলিশ ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারকারী ফেসবুক পেজগুলো দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর নামে পরিচালিত ভুয়া ফেসবুক পেজগুলো জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হতে অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্ট সাইবার ইউনিটের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নোটিশ প্রদান করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচার প্রতিরোধে কার্যকর নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করতে হবে। অন্যথায়, এই নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ (বাহাত্তর) ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে জনস্বার্থে এবং আইনানুগ প্রতিকার চেয়ে আদালতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, যার দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে বলে জানান আইনজীবী।

Exit mobile version