আজ রবিবার, মে ১৭, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় একই গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ নেতা রহিম উদ্দিন আহম্মেদ (৮০) নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ।

এর আগে শুক্রবার (১৫ মে) রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

নিহত রহিম উদ্দিন উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের বলাইশিমুল গ্রামের মৃত আব্দুল ব্যাপারীর ছেলে। তিনি বলাইশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বলাইশিমুল গ্রামে ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে একই পাড়ার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হন।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত রহিম উদ্দিনকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে অভিযোগ করেন, রহিম উদ্দিন পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের দাবি, সংঘবদ্ধ হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, ঘটনার পর থেকেই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য ঢাকার শাহবাগ থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Exit mobile version