
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া “সজীব কান্ড” নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা।
রবিবার (১০ মার্চ) সংগঠনটির অফিস ও প্রচার সম্পাদক আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সজীব বায়োলজি কোচিংয়ের পরিচালক সজীব এবং কলেজের শিক্ষক শহীদুল ইসলাম স্যারের মধ্যকার অনাকাঙ্ক্ষিত বাকবিতণ্ডার ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে। পরবর্তীতে সজীবকে সাতক্ষীরায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা এবং প্রশাসনের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও ওঠে।
তবে ছাত্রশিবিরের দাবি, একটি “স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল” ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেইজ থেকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, এডিট করা ছবি এবং উসকানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কিছু শিক্ষার্থীর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অনৈতিক। একই সঙ্গে ছাত্রশিবিরের নাম ব্যবহার করে ভুয়া পেইজ ও অ্যাকাউন্ট পরিচালনার মাধ্যমে সংগঠনটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করা হয়।
ছাত্রশিবির স্পষ্টভাবে জানায়, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। বরং তারা মনে করে, এ ধরনের অপপ্রচার শিক্ষাঙ্গনের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীসহ সকল শিক্ষার্থীর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দ্রুত প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া সকল শিক্ষার্থীর প্রতি গুজব, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সচেতন ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানানো হয়।

