আজ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সারা দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে মধ্যে দুঃসংবাদ দিল ভারতের আদানি গ্রুপ। গ্রুপটির বিদ্যুৎ কম্পানির দুটি ইউনিটের একটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। সেই ইউনিটটি ১১ এপ্রিল চালু হয়। তবে ১১ দিনের মাথায় আজ বুধবার দুপুরে ফের একটি ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।

এতে করে লোডশেডিং আরো বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাওয়ার গ্রিড পিএলসি বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্যে দেখা যায়, এদিন দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ১৫০০ মেগাওয়াট (১৪৯৯) করে বিদ্যুৎ দিচ্ছিল আদানি। দুপুর ২টায় তা এক লাফে সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এদিকে গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট উঠলে উৎপাদন সেই হারে বাড়ানো যাচ্ছে না।

ফলে ঘণ্টাপ্রতি লোডশেডিং দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আদানি জানিয়েছে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্ক সংকেত পাওয়া যাচ্ছিল। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি মেরামত করতে ৩-৪ দিন সময় লেগে যেতে পারে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে নির্মিত ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর হয়ে আসে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মার্চে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে পিডিবি। চুক্তি অনুসারে আদানির কেন্দ্র থেকে ২৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ।

Exit mobile version