কারিগরি জটিলতা সারিয়ে কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালটি আবার চালু করা হয়েছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিও দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছে।
জানা যায়, কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল আছে। এর মধ্যে একটি মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে গেলে গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এতে ঢাকা ও আশপাশে গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছিল।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্র বলছে, এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালটি কারিগরি ত্রুটির কারণে আজ সকাল ৬টার সময় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। মেরামতের পর দুপুর ১২টার দিকে টার্মিনালটি আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু করে।
এদিন সকালে সরবরাহ কমার পর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি জানিয়েছিল, কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে। এলাকাগুলো হলো- ঢাকার দক্ষিণাংশ, গজারিয়া, মেঘনাঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।
একটি টার্মিনাল বন্ধের কারণে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ ৪০ কোটি ঘনফুট কমে যাওয়ার তথ্যও জানিয়েছিল তিতাস। এ জন্য তিতাস অধিভুক্ত এলাকাজুড়ে গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক স্বল্পচাপ দেখা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল সংস্থাটি।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, দিনে সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ শতাংশ আসে এলএনজি থেকে। কিছুদিন ধরে এলএনজি থেকে গড়ে ৯৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছিল। এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধের পর তা ৫৫ কোটি ঘনফুটে নেমে গিয়েছিল। ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের কম চাপ পেতে থাকে।
তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি বন্ধ থাকাকালে সামিট পরিচালিত অপর টার্মিনালটি থেকে পুরো সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ চালু রাখা হয় বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।



