আজ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করে এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন দল ও সংগঠন। গতকাল সোমবার আলাদা বিবৃতিতে এসব দল ও সংগঠনের নেতারা এই প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে জনজীবনের বিদ্যমান সংকটময় পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বিবৃতিতে বলেন, এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে অসহনীয় দুর্ভোগ। তার ওপর জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব পরিবহন, সেচসহ সর্বক্ষেত্রে পড়বে। এতে ভাড়া ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে এবং সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আরেক দফা বাড়বে। গরিব-মধ্যবিত্তসহ নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বহুগুণে বেড়ে যাবে, মূল্যস্ফীতিও বাড়বে।

তিনি বলেন, সব মিলিয়ে জ্বালানি তেলের এই দাম বাড়ানো জনগণের ওপর ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাম না বাড়িয়ে মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিতরণ বিপণনে অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবি জানান বজলুর রশীদ ফিরোজ।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বিবৃতিতে বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো সরকারি এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কষ্টের মধ্যে ফেলে দেবে। দেশে জ্বালানি সংকটের মধ্যে তেলের এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ানো মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, এই অবস্থায় কেবল দুর্নীতি-লুটপাট কমিয়ে আনলে জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।
যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু বিবৃতিতে বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বিবেচনায় নিলে এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।
কৃষক মজুর সংহতির সভাপতি দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম আরেক বিবৃতিতে বলেন, সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। জ্বালানি তেল পেতে কৃষকদের হয়রানি ও বাড়তি দাম নেওয়ার বিষয়টি খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত।

Exit mobile version