চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান মো. গোলাম রসুল ও র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান দায়িত্ব থেকে বিদায় নিয়েছেন। রবিবার নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়।
রবিবার রাতে র্যাব ও এসবির দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্রগুলো জানায়, তাদেরকে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিদায় জানানোর পর নিজ নিজ কর্মস্থল থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। শিগগিরই নতুন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ রবিবার শেষ হয়েছে। দায়িত্বের শেষ দিনে তিনি র্যাব সদর দপ্তরে সর্বশেষ দরবারে অংশ নেন। পরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়।
এদিকে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্নেল ইফতেখার আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অন্যদিকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান মো. গোলাম রসুলকেও একই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি গোলাম রসুলকে পপদোন্নতি দিয়ে এসবির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে এসবির তৎকালীন প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলামকে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটে (এটিইউ) পদায়ন করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে চাকরির স্বাভাবিক মেয়াদ শেষ হলে গোলাম রসুলকে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত দায়িত্বে রাখা হয়।
অন্যদিকে ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুর রহমানকে ওই বছরের ৭ আগস্ট র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিসিএস ১২তম ব্যাচের এই কর্মকর্তার চাকরির মেয়াদ শেষ হলে অন্তর্বর্তী সরকার তাকে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে র্যাবের ডিজি পদে বহাল রাখে। পরে তার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়। এখন সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি দায়িত্ব থেকে বিদায় নিলেন।


