হকার সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, “২০০১ সালে হকারদের জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গা আমরা বরাদ্দ দিয়েছিলাম। সেই জায়গায় যারা বরাদ্দ পেয়েছিল তারা আসলেই এখনো আছে কিনা, না থাকলে তাদেরকে কেন আমরা রাখবো, এই বিষয়ে সমাধানে আসতে হবে। শুধু হকার সমস্যা না, এখানে চাঁদাবাজিও চলছে। হকাররা যারা বসে, তারা এই চাঁদাটা দিয়েই বসে। তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডে কেউ না কেউ আছে তারা সাপোর্ট আর নিরাপত্তা দিচ্ছে। এই গ্রুপটাকে খুঁজে বের করতে হবে।”
রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের কথা ছিল। বরাদ্দ হয়ে গেলেও জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসনের এ ব্যাপারে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার আছে। এছাড়া, ২০০৬ সালে ২০ শয্যার দুইটা হাসপাতালের একটা ফতুল্লায় এবং অন্যটা সিদ্ধিরগঞ্জে করার কথা ছিল। এ দু’টির জনবল হয়ে গেছে, স্টাফ আছে, বাজেট বরাদ্দ আছে কিন্তু এটা খালেদা জিয়ার কর্মসূচি ছিল বলে সেটি আর করেনি বিগত সরকার।”
তিনি বলেন, “নবীগঞ্জ-হাজীগঞ্জে একটা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এটাও পেন্ডিং অবস্থায় আছে। আমরা এটা এখন করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মা হিসেবে এটা উনি দাবি রাখেন।”
শায়েস্তা খাঁ সড়ক ও মীর জুমলা সড়কের দখল সমাধান নিয়েও কথা বলেন এ সংসদ সদস্য।
“আরেকটা সমস্যা হচ্ছে বাসগুলো রাতে এখানে-সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে। মানুষজন যাতায়াতের সময় পা রাখার জায়গা পায় না। আশেপাশে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বেশি ভোগান্তি পোহায়। শহরের দুই নম্বর রেলগেইট থেকে চারটা পয়েন্টে কাজ করলে যানজটের সমস্যা সমাধান হবে। শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ কমাতে যেসব ফ্যাক্টরিতে ইটিপি প্ল্যান্ট কাজ করবে না, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা আছি, সিটি কর্পোরেশন আছে, মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে সিটির সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। বিক্ষিপ্তভাবে কাজ না করে সবগুলো দপ্তরকে একত্রে কাজ করতে হবে”, যোগ করেন তিনি।


