আজ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নারায়ণগঞ্জে অনুমোদনহীন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বিভিন্ন নামে প্যাকেটজাত সেমাই উৎপাদনের অভিযোগে র‍্যাব, জেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

দীর্ঘদিন ধরে খোলা টয়লেটের পাশে তৈরি হচ্ছিল সেমাই। টিমের কাছে এমন গোপন খবর পৌঁছালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই তৈরির অভিযোগে দুটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার ১৮নং ওয়ার্ড, শহীদ নগর এলাকায় গ্রামীন ও আনন্দ নামে ২টি সেমাই কারখানায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার পারভেজ, র‍্যাব-১১-এর সিপিসি-১ স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি আল মাসুদখান, এবং নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সুরাইয়া শামসুল নাহার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘গ্রামীণ সেমাই’ কারখানায় খোলা টয়লেটের পাশে সেমাই উৎপাদন এবং বৈধ অনুমোদন ছাড়াই বিএসটিআইয়ের সিল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং উৎপাদিত সেমাই জব্দ করা হয়। পাশাপাশি, ‘আনন্দ সেমাই’ কারখানার বিএসটিআই অনুমোদন থাকলেও নিয়মবহির্ভূতভাবে পণ্য প্যাকেটজাত করার অভিযোগে পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার পারভেজ এশিয়া পোস্টকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা অভিযোগ পাচ্ছিলাম এখানে অস্বাস্থ্যকরভাবে সেমাই উৎপাদন করা হয়, তাই অভিযান চালিয়েছি। এখানে দুই প্রতিষ্ঠানকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের দায়ে এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

র‍্যাব-১১-এর সিপিসি-১ স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি আল মাসুদ খান বলেন, ঈদ সামনে রেখে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করে থাকে। তাই আমরা প্রতিনিয়ত এই ধরনের অভিযান পরিচালনা করে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি। ঈদে পর্যন্ত এই ধরনের বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে।

Exit mobile version