রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজাবাড়ী ইউনিয়নে কিছু সংখ্যক ব্যক্তি নিজেদের ‘সাংবাদিক’ দাবি করে সাংবাদিকতার নামে অপপ্রচার, চাঁদাবাজি ও দালালিতে জড়িত। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং এ ধরনের অসৎ কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, এই গোষ্ঠী বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করেন আবার টাকার বিনিময়ে অপপ্রচার বন্ধ করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা এক পক্ষের হয়ে অপপ্রচার চালিয়ে অন্যপক্ষ থেকে সেটি বন্ধ করার নামেও অর্থ হাতিয়ে নেন। এতে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে।
এক স্বনামধন্য ও সৎ পেশাজীবী সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা। কিন্তু এই কয়েকজন ব্যক্তির কর্মকাণ্ড সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সুশীল সমাজের নেতা জনাব আলী হোসেন বলেন, “এরা আসল সাংবাদিক নন, এরা সুযোগসন্ধানী। এদের কাজে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে। আসল সাংবাদিকরা যেন তাদের নামে কলঙ্কিত না হন, সেদিকে কর্তৃপক্ষকে নজর দিতে হবে।”
স্থানীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যারা এসব কাজে জড়িত, তাদের অনেকেরই আমাদের সংগঠনের কোনো সদস্যপদ নেই। আমরা প্রকৃত সাংবাদিকরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করি এবং এগুলো বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করি।”
এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনকে এই ‘টাকা-কেন্দ্রিক অপসাংবাদিকতা’ ও ‘দালালি চক্র’ চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি, তারা সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে অনুরোধ করেছেন, যাতে কোনো প্ররোচনা বা হুমকিতে পড়ে এই চক্রের কাছে আর্থিক সুবিধা না দেন এবং তাদের অপতৎপরতার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশকে জানান।


