আজ মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলটির নেতারা।

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে সমাবেশ শেষে ফেরার পথে চৌরঙ্গী মোড়ে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালানোর পর তারা সেখানে অবস্থান নিয়েছেন।

এই অতর্কিত হামলায় শহরের পৌরপার্ক এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। জেলার চৌরঙ্গী মোড়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। যা এখনও চলছে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত।

হামলাকারীদের সরিয়ে দিতে উপস্থিত শতাধিক পুলিশ সদস্য ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে। রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তেও দেখা গেছে। তবে তাদেরকে বেশ বেগ হতে হচ্ছে। অন্তত চারজন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, হামলা শুরুর পর সেনাবাহিনী হামলাকারীদের প্রতিরোধের চেষ্টা চালায়। তবে কিছুক্ষণ পর তাদেরকে সেখান থেকে ডিসি অফিসের দিকে যেতে দেখা যায়। দেড় ঘণ্টা পর সেনাবাহিনীর তিনটি এপিসি এসে অভিযান শুরু করেছে।

জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সমাবেশ শেষে মঞ্চে আগুন দিয়েছে হামলাকারীরা, চেয়ার ভাঙচুর করেছে। পাশাপাশি অনেকগুলো তোরণেও আগুন দেয়া হয়েছে।

উত্তাল পরিস্থিতিতে এই জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান। জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সেনাবাহিনী, পুলিশের পাশাপাশি ৪ প্লাটুনও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

Exit mobile version