
যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদে গ্রামে যেতে পারে সে উপলক্ষে আমাদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আমাদের টহল, বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট করা হয়েছে। এছাড়াও গোয়েন্দা নজরদারিও বৃদ্ধি করা হয়েছে, বলেছেন র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ডে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েটা হচ্ছে বাংলাদেশের লাইফলাইন। প্রায় ১৪০ কিলোমিটারের হাইওয়ের মতো সড়ক আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়েছে। যাত্রীরা যাতে কোন সমস্যা ছাড়া তাদের গ্রামের বাড়িতে যেতে পারে। কোন মলম, পার্টি অজ্ঞান পার্টি অথবা ছিনতাইকারী-চাঁদাবাজির সম্মুখীন না হয়। সে লক্ষ্যেই আমাদের এই ব্যবস্থা। আমাদের টহল কার্যক্রম চলছে এবং হাইওয়ে এখন পর্যন্ত যানজটমুক্ত রয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি। আমাদের ফোর্স সজাগ দৃষ্টি রাখছে বিভিন্ন পয়েন্টে। আমরা গতকাল রাতেও আমাদের বিভিন্ন অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করেছি এটা চলমান আছে এবং এটা ঈদের ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে।
পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও যাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করে লে. কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “যাত্রীরা যাতে সুন্দরভাবে যেতে পারে সেই হিসেবে আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় যেন না করা হয়। যাত্রী সাধারণকেও বলব, আপনারা নিজেরাও সচেষ্ট থাকেন যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা-মলম, অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে না পড়েন। খুবই সুন্দর একটা ঈদ উদযাপিত হবে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবো। সাধারণ যাত্রীগণ তাদের আত্মীয়স্বজনের কাছে সুন্দরভাবে যেতে পারবে। এই প্রত্যাশা করছি।”
ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে ৮টি টিম কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এছাড়াও আমাদের কাঁচপুর, মেঘনা ব্রিজ, মদনপুর, দাউদকান্দি, কুমিল্লা সদরে আমাদের চেকগুলো স্থাপন করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাস কাউন্টারগুলোতে যাতে অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। আবাসিক এলাকাগুলো মোবাইল পেট্রোলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

