
ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান খান আঙ্গুরের ম্যানেজার ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমনের ম্যানেজারের টাকা বিতরণ করার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়েছি, থানায় জানিয়েছি সেনাবাহিনীকে জানিয়েছি। তবে এ বিষয়ে এখনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। টাকা বিতরণের বিষয়ে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কারণ এই ঘটনার মধ্য দিয়ে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে আড়াইহাজারে পাঁচরুখি এলাকায় তার নিজ বাড়িতে এক সংসাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ওনারা শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের খোঁজে। বিএনপির নেতাকর্মীদের না খুঁজে দুর্বৃত্তদের খুঁজলে ভালো হবে।বিএনপির প্রেসিডেন্ট কে অনেকে খুঁজতেছে। তিনি তো আর সন্ত্রাসী নয়। তাহলে তাকে কেন খুঁজতেছে। আর বিএনপির প্রেসিডেন্টকে খুঁজলে জামায়াতের প্রেসিডেন্টকেও খুঁজুক। লেভেল প্লেইং ফিল্ড রাখা উচিত। শুধু শুধু কাউকে খোঁজাখুঁজি করে প্যানিক তৈরি করা ঠিক হবে না। ভোট দেওয়ার পরিবেশ সুন্দর করতে হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আঙ্গুরের সাথে সিরাজ নামে এক ব্যক্তি চলাফেরা করে, সে ডাকাতের সর্দার। সে এক বক্তব্যে বলছেন হাত কেটে ফেলবো। এসব বক্তব্য ভাইরাল হচ্ছে। অথচ এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা। সবাইকে সমান চোখে দেখতে হবে। সবাইকে সমান চোখে দেখলে অবাদ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আসাদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড রয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে জানা নেই।

