
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নারায়ণগঞ্জ -৪ এর বিএনপির জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী নির্বাচনী উঠান বৈঠকে বলেন, এই জায়গায় আমাদের দুইটা সমস্যা।একটা ঘরের ভিতর আরেকটা বাহিরের। ঘরের ভিতর ইন্দুর কি করতাছে বান কাঁটতেছে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।আজকের এই সমাবেশেও আপনেরা এমন অনেকেই এসেছেন। আপনেরা ইতিমধ্যে খেলে ফেলেছেন। খেলতে থাকুন। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারী চূড়ান্ত খেলার অপেক্ষা করুন। সেদিন জনতা রায় দিবে এই খেলার বিজয়ী কে। ২ফেব্রুয়ারী সোমবার বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর নির্বাচনী উঠান বৈঠকে উক্ত বক্তব্য দেন তিনি।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মডেল গ্রুপের কর্ণধার মো: মাসুদুজ্জামান মাসুদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ শহীদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক এড.বারী ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রিয়াদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো:রুহুল আমিন সিকদার, জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, জেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক মন্টু মিয়া ,নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিল ইকবাল হোসেন প্রমূখ।
এসময় উঠান বৈঠককে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেন, ২০২৪ সালে আমার ছাত্র জনতা যখন আন্দোলনে ফোঁসে উঠেছে মাত্র ৩৬ দিনের আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট সরকার লেডি ফেরাউন খ্যাত শয়তানের প্রেতাত্মা শেখ হাসিনা সাঙ্গপাঙ্গুদের সবগুলোকে সাথে নিয়ে চাট্টিপাট্টি গোল করে মামার বাড়ি দিল্লিতে যেতে বাধ্য হয়েছে। আর সেই ফ্যাসিস্ট সরকার নারায়ণগঞ্জকেও সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য বানিয়েছিলো। এমন কোন অপরাধ নেই এখানে সংগঠিত হয় নাই। কিন্তু আপনার আমার, ছাত্র জনতা,হেফাজত- বিএনপির আন্দোলনে লেজগুটাতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এবারের ১২ই ফেব্রুয়ারী যে নির্বাচন আসছে সেটাও একটি নিরব আন্দোলন হতে যাচ্ছে।ইনশাআল্লাহ। এবারের নির্বাচনেও আমাদের জিততে হবে।এবারের নির্বাচন ফতুল্লাবাসীর জন্য এক পরীক্ষা। এই নির্বাচনে ফতুল্লার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান মুসলমানদের তারা নিজেরা নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হবে। তারা জলাবদ্ধতা থেকে নিষ্কৃতি চায় কি চায় না।সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ, ঠিক মত গ্যাস বিদ্যুৎ আসে কিনা আসে না তার সিদ্ধান্ত ফতুল্লাবাসীকে নিতে হবে। আপনেরা খেজুর গাছে সিল দিলে এই সিল ধানের শীষে যাবেন মনে রাইখেন।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, আমরা সারাবছর স্কুলে পড়ি বছর শেষে পরীক্ষা দেই আমাদের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী পাশ করার জন্য। সে পরীক্ষায় যারা অংশ করবে না তারা কি পাশ করতে পারবে? বা পরিচয় দিতে পারবে আমরা ঐ স্কুলের ছাত্র? যারা বিএনপির পরিচয় তারা এখনো বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে নাই। তেমনি সারাবছর আমরা জেল খেটেছি, মিছিল করেছি,মিটিং করেছি। আর ১২ ফেব্রুয়ারী হচ্ছে আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা। যারা সারাবছর ত্যাগ তিতিক্ষায় করেছে তারা যদি বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে তাদের কোন পরিচয় নাই। তেমনে মুফতি মনির হোসেন কাসেমী তিনি তার যোগ্যতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারিতে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। আর আমদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে তার সাথে থেকে কাজ করবো যারা তারাই আমরা প্রকৃত ছাত্র। কাজেই আপনেরা দলের সিদ্ধান্ত মত কাজ করুন এবং নিজেদের সত্যিকারের বিএনপির কর্মীর পরিচয় দেন।

