
সোনারগাঁ(প্রতিনিধি); নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নংওয়ার্ড সদস্য মো.নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে এ অপপ্রচারের করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার দুপুরে সোনারগাঁয়ের উদ্ধবগঞ্জ এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন ইউপি সদস্য মো. নাসির উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে তার স্ত্রী সখিনা বেগম উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইউপি সদস্য নাসিরউদ্দিন দাবি করেন, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর এলাকায় ১৬-১৭ বছর আগে আলো সমিতি নামের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষ ঋণ গ্রহন, সঞ্চয়সহ আর্থিক লেনদেন করেন। বিগত ১৫ বছর লেনদেন নিয়ে কোন প্রকার অভিযোগ ছিল না। হঠাৎ করে আলো সমিতির মালিক কার্যালয় বন্ধ করে ফারুকুল ইসলাম শাহিন, ইমরান হোসেন মুকুল ও কামাল হোসেন সমিতি বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যায়। সমিতি বন্ধ হওয়ার পর সেখানে গ্রাহকরা তাদের সঞ্চিত অর্থ না পেয়ে হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েন। হতাশাগ্রস্থ গ্রাহকরা জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিকের কাছে তাদের টাকা আদায়ে সহযোগীতা কামনা করেন। এক পর্যায়ে তিনি গ্রাহকদের সঙ্গে সভা করে অর্থ আদায়ের জন্য একটি কমিটি করে সমিতির তিন মালিকের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যান। সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল এমরান হোসেন মুকুল ইউপি সদস্য নাসিরউদ্দিনের ছোট ভাই হওয়ার কারনে তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার শুরু করে। গত ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে ইউপি সদস্যের বাড়িতে গিয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে মানুষ জড়ো করে মব সৃষ্টি করে একটি ফেসবুক পেইজে লাইভ করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ইউপি সদস্য সমিতির টাকা আত্মসাত করে পালিয়েছে বলে অপপ্রচার করে। এতে তিনিসহ তার পরিবার সমাজের কাছে সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তারা ১০ ভাই এক বোন। তার ছোট ভাই মুকুল অপরাধী হলে তার বিচার হবে। কিন্তু এ সমিতির সাথে ছোট ভাই মুকুলের সম্পৃক্ততা থাকলেও তার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার করা হয়। অসহায় মানুষের টাকা ফিরে পাওয়ার জন্য তিনিও সর্বাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি পাওনাদার গ্রাহকের পক্ষে আছেন ও থাকবেন বলে প্রতিশ্রæতি দেন। ইউপি সদস্য নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী সখিনা বেগম জানান, তার বাড়িতে ফেসবুক লাইভ করার কারনে তার মেয়ে আতংকিত হয়ে শ্বাসকষ্টে ভুগেন। এসব অপপ্রচারের কারনে তার পরিবারের সম্মান নষ্ট হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

