আজ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে শরৎকালীন বিষুব-এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শরৎকাল।
রয়্যাল মিউজিয়াম গ্রিনউইচের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যের সময় রাত ১টা ৬ মিনিটে এই বিষুব সংঘটিত হয়। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এটি সকাল ৬টা ৬ মিনিট।

বিষুব হলো এমন এক ক্ষণ, যখন সূর্য ঠিক পৃথিবীর মাঝবরাবর বা বিষুবরেখার ওপর অবস্থান করে। এই সময়ে পৃথিবীর কোনো অংশই সূর্যের দিকে বা বিপরীতে ঝুঁকে থাকে না, যার ফলে বিশ্বজুড়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়ে যায়। এই ঘটনাকে বলা হয় ‘শরৎ বিষুব’।

বিশেষ এই দিনটিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের স্টোনহেঞ্জের মতো ঐতিহাসিক স্থানে মানুষ জড়ো হয়ে সূর্যোদয় উপভোগ করেন।

তবে বাংলাদেশের সঙ্গে বিষয়টি একটু আলাদা। ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে নতুন করে শরৎকাল শুরু হচ্ছে না। বাংলা ঋতুচক্র অনুযায়ী বাংলাদেশে শরৎকাল এরই মধ্যে চলছে।

‘শরৎ বিষুব’ নামটি মূলত উত্তর গোলার্ধের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঋতুচক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইউরোপসহ উত্তর গোলার্ধের অনেক দেশে এই দিনকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবে শরতের শুরু ধরা হয়।

উল্লেখ্য, লাতিন শব্দ ‘ইকুইনক্স’ বা বিষুব-এর অর্থ সমান রাত। নিয়ম অনুযায়ী এই দিনে দিন ও রাত উভয়ই ১২ ঘণ্টা করে হওয়ার কথা। তবে বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণের কারণে সূর্য ডোবার পরও কিছুক্ষণ আলো থেকে যায়। এর ফলে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য পুরোপুরি সমান হওয়ার ঘটনাটি বিষুবের ঠিক কিছুদিন পরে ঘটে, যাকে বলা হয় ‘ইক্যুল্যাক্স’ বা ‘সমান আলো’।

Exit mobile version