আজ
|| || ||
বাবার সহযোগিতায় পর্ণগ্রাফি ভিডিও বানাতেন সুমাইয়া
প্রকাশের তারিখঃ ১৯ আগস্ট, ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির প্রচারণা করে আসছিলেন সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনফ্লুয়েন্সার। তার সাথে আরও ছিলেন খাজা সাকলাইন ফারুক (২৩), মাহতির মো. সিয়াম, শাকির মাহমুদ ও মো. আবু সাঈদসহ আরও কয়েকজন। তবে এসকল কর্মকান্ডে সহযোগীতা করতেন সুমাইয়া সাঈদের বাবা আবু সাঈদ ও তার এক্স বয়ফ্রেন্ড।
এদের মধ্যে সুমাইয়া সাঈদ ও খাজা সাকলাইন ফারুককে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করেছে।
পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার রুদ্র গ্রামে। সুমাইয়া সাঈদের বাবার নাম আবু সাঈদ ও মাতার নাম লাকিয়া সরকার। বর্তমান সে রাজধানীর অভিজাত এলাকা বসুন্ধরা আবাসিক (বাসা নং-২৮৩, ফ্ল্যাট-এ/৬, আফরোজা বেগম রোড, ব্লক-এফ) এলাকায় থাকতেন।
পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ আগস্ট ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম অনলাইনে সাইবার অপরাধীদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছিল। এ সময় একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক নারীর ছবি ব্যবহার করে টেলিগ্রাম গ্রুপের লিংক প্রচারের বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।
এজাহারে বলা হয়, ওই টেলিগ্রাম গ্রুপে আরও ভিডিও পাওয়ার জন্য বিভিন্ন লিংকের মাধ্যমে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হতো। পাশাপাশি বিভিন্ন প্যাকেজের নামে ভিডিও বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া এবং বিকাশ ও নগদ নম্বরের মাধ্যমে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ দাবি করেছে, প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে ওই মোবাইল নম্বরের অবস্থান রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
১১ আগস্ট সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আফরোজা বেগম রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়া স্বীকার করেছেন যে তাঁরা নিজেদের তৈরি পর্নোগ্রাফিক ছবি ও ভিডিও ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার এবং অনলাইনে বিক্রি করতেন।
অভিযানের সময় সুমাইয়ার হেফাজত থেকে একটি মোবাইল ফোনসহ (iPhone 17 Pro Max) বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ আছে। এসব আলামত পরীক্ষা করে মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পাদক: মো: রবিউল হক। প্রকাশক: মো: আশ্রাফ উদ্দিন ।
প্রকাশক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২, টয়েনবি সার্কুলার রোড (মামুন ম্যানশন, গ্রাউন্ড ফ্লোর), থানা-ওয়ারী, ঢাকা -১২০৩ থেকে মুদ্রিত
দেলোয়ার কমপ্লেক্স, ২৬ শহীদ নজরুল ইসলাম সড়ক (হাটখোলা), ওয়ারী, ঢাকা -১২০৩ থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭৯৮৬৫৫৫৫৫, ০১৭১২৪৬৮৬৫৪
ওয়েবসাইট : dailyjanadarpan.com , ই-পেপার : epaper.dailyjanadarpan.com
Copyright © 2026 Daily Janadarpan. All rights reserved.