আজ বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা থেকে গ্রেপ্তারের একদিন পর মো. নুরুল আলম (৩৮) নামের এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে তার মৃত্যু হয়। মৃত মো. আলম সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মো. আলমকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। থানা থেকে আড়াইটার দিকে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সেখান থেকে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেরানিহাট বাজারের সিটি সেন্টারের উত্তর পাশে একটি জায়গা নিয়ে কয়েক বছর আগে থেকে নুরুল আলমদের সঙ্গে তাদের প্রতিবেশী আরিফদের বিরোধ চলছিল। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে ডিবি পুলিশকে দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করানো হয়। তাছাড়া নুরুল আলম গ্রেপ্তারের পর প্রতিপক্ষের লোকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নরকম পোস্ট দেন। এর আগে গত ৪ জুন নুরুল আলমদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনও করেছিল আরিফের পরিবার।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘চট্টগ্রামের গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। থানায় আনার আড়াই ঘণ্টার মাথায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আমরা তাকে আদালতে পাঠাই। আমাদের হেফাজতে থাকা অবস্থায় কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

ঘটনার বিষয়ে ওসি আরও বলেন, আটকের পর তিনি মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছিল বা ট্রমার মধ্যে ছিল। হতে পারে সেখান থেকেই তিনি স্ট্রোক করেছেন।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে নুরুল আলমকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

Exit mobile version