গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে আবারও অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এবার অফিসটির সাবেক পিয়ন মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নামজারি ফি বাবদ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী আবেদনকারী। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী সহদেব চন্দ্র দাস, রাজাবাড়ী ইউনিয়নের নালিয়াটেকী বাসিন্দা। প্রায় ১১ মাস আগে তিনি তার পৈত্রিক জমির নামজারি সম্পন্ন করতে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক পিয়ন মনিরুজ্জামানের মাধ্যমে আবেদন করেন। এ সময় মনিরুজ্জামান দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে নামজারি ফি বাবদ ৩০ হাজার টাকা নেন।
কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও নামজারির কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় সহদেব চন্দ্র দাস ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার নামে কোনো টাকা সরকারি প্রক্রিয়ায় জমা হয়নি এবং এ সংক্রান্ত কোনো রশিদও ইস্যু করা হয়নি। এতে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।
ভুক্তভোগী সহদেব চন্দ্র দাস বলেন, “মনিরুজ্জামান আমাকে বলেন, অফিসের বাইরে টাকা দিলে দ্রুত কাজ হয়ে যাবে। তার কথায় বিশ্বাস করে আমি ৩০ হাজার টাকা দিই। পরে জানতে পারি কোনো টাকা জমা হয়নি। এখন আমার টাকাটা কোথায় পাব বুঝতে পারছি না।”
এ বিষয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বর্তমান এক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, “অভিযুক্ত মনিরুজ্জামান এক বছর আগে গাজীপুর ডিসি অফিসে বদলি হয়ে গেছেন। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, ভূমি সংক্রান্ত সেবার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অর্থ সরাসরি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর কাছে না দিয়ে নির্ধারিত ব্যাংক বা সরকারি ট্রেজারির মাধ্যমেই ফি জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং এ বিষয়ে তারা কিছু জানেন না।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “ভূমি অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর হাতে সরাসরি টাকা দেবেন না। সব সময় নির্ধারিত পদ্ধতিতে ব্যাংক বা অফিসিয়াল রশিদের মাধ্যমে অর্থ জমা দিন। কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।”
এ ঘটনার পর এলাকায় ভূমি সেবা গ্রহণে আগ্রহীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ভূমি অফিস যেন আতঙ্কের নাম: শ্রীপুরে সাবেক পিয়নের বিরুদ্ধে নামজারি ফি আত্মসাতের অভিযোগ
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে আবারও অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এবার অফিসটির সাবেক পিয়ন মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নামজারি ফি বাবদ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী আবেদনকারী। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী সহদেব চন্দ্র দাস, রাজাবাড়ী ইউনিয়নের নালিয়াটেকী বাসিন্দা। প্রায় ১১ মাস আগে তিনি তার পৈত্রিক জমির নামজারি সম্পন্ন করতে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক পিয়ন মনিরুজ্জামানের মাধ্যমে আবেদন করেন। এ সময় মনিরুজ্জামান দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে নামজারি ফি বাবদ ৩০ হাজার টাকা নেন।
কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও নামজারির কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় সহদেব চন্দ্র দাস ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার নামে কোনো টাকা সরকারি প্রক্রিয়ায় জমা হয়নি এবং এ সংক্রান্ত কোনো রশিদও ইস্যু করা হয়নি। এতে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।
ভুক্তভোগী সহদেব চন্দ্র দাস বলেন, “মনিরুজ্জামান আমাকে বলেন, অফিসের বাইরে টাকা দিলে দ্রুত কাজ হয়ে যাবে। তার কথায় বিশ্বাস করে আমি ৩০ হাজার টাকা দিই। পরে জানতে পারি কোনো টাকা জমা হয়নি। এখন আমার টাকাটা কোথায় পাব বুঝতে পারছি না।”
এ বিষয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বর্তমান এক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, “অভিযুক্ত মনিরুজ্জামান এক বছর আগে গাজীপুর ডিসি অফিসে বদলি হয়ে গেছেন। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, ভূমি সংক্রান্ত সেবার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অর্থ সরাসরি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর কাছে না দিয়ে নির্ধারিত ব্যাংক বা সরকারি ট্রেজারির মাধ্যমেই ফি জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং এ বিষয়ে তারা কিছু জানেন না।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “ভূমি অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর হাতে সরাসরি টাকা দেবেন না। সব সময় নির্ধারিত পদ্ধতিতে ব্যাংক বা অফিসিয়াল রশিদের মাধ্যমে অর্থ জমা দিন। কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।”
এ ঘটনার পর এলাকায় ভূমি সেবা গ্রহণে আগ্রহীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


