আজ রবিবার, মে ১০, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সোনারগাঁ(নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আনন্দবাজার হাট এখন বিলীনের শঙ্কায়। মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা শতবর্ষী এই হাটের পাশ থেকে একটি মহল অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের আশঙ্কা,অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলনে তীব্র নদীভাঙনের কবলে পড়ে যেকোনো সময় বিলীন হয়ে যেতে পারে ঐতিহাসিক এই হাট। স্থানীয়দের দাবি, আনন্দবাজার হাট শুধু একটি বাণিজ্যকেন্দ্র নয়,এটি এলাকার ইতিহাস,ঐতিহ্য ও জীবিকার অন্যতম প্রধান অংশ। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে শত শত মানুষ এই হাটে কেনাবেচার জন্য আসেন। বহু বছরের পুরোনো এই হাটকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের জীবিকা। তারা দাবি করেন,বিএনপি নেতা ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুম রানার নেতৃত্ব সোনারগাঁও ও মেঘনা উপজেলার নলচর গ্রামের রবিউল্লাহ রবিসহ শতাধিক মানুষের সিন্ডিকেট প্রতিদিন রাতের আধার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে থাকে। এসব বালু সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করা হবে। নদী ড্রেজিং করার জন্য দিনের বেলায় নদী বন্দরের কাটিং ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করার নিয়ম।  কিন্তু রাতে বেলায় অবৈধ বালু উত্তোলন করতে আসলে এলাকার লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।
পদ্মা সেতু নির্মাণে গ্যাস ও অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের পাওনা টাকা পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনব্যবসায়ীরা বলেন,নদীর তীরের খুব কাছ থেকে বালু উত্তোলন করা হলে মাটির স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিতে পারে। এতে হাটের দোকানপাট,সড়ক ও আশপাশের বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এলাকাবাসী জানান,ইতোমধ্যে নদীর পাড়ের কিছু অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কয়েক বছরের মধ্যেই আনন্দবাজার হাটের অস্তিত্ব হারিয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন। সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাতকে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Exit mobile version