
দেশের জ্বালানি তেলের মজুদ আরো শক্তিশালী করতে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে অয়েল ট্যাংকার ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’।
মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে (ব্রাভো পয়েন্টে) নোঙর করে।
জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস সূত্র জানায়, আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালেই জাহাজটি বন্দরের পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে বার্থিং করার কথা রয়েছে। বার্থিং সম্পন্ন হওয়ার পরপরই পাইপলাইনের মাধ্যমে অকটেন খালাস প্রক্রিয়া শুরু হবে।
প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার মো. নজরুল ইসলাম জানান, জাহাজটি সফলভাবে আউটারে পৌঁছেছে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বৃহস্পতিবার সকালে এটি জেটিতে ভেড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ২৭ হাজার টন অকটেন খালাস হলে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা আরো নিরবচ্ছিন্ন হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন ডিপার্টমেন্টের সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ ছাড়াও বন্দরে জ্বালানি পণ্যবাহী আরো ৭টি জাহাজ অবস্থান করছে বা আসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
এর মধ্যে চীন থেকে আসা ‘গ্যাস জার্নি’ এবং মালয়েশিয়া থেকে আসা ‘ইস্টার্ন কুইন্স’ বর্তমানে বহির্নোঙরে অবস্থান করছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জ্বালানি আমদানিতে চট্টগ্রাম বন্দর এখন অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছে।
মার্চ মাসে মোট ৩৩টি জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজ বন্দরে ভিড়েছিল। যার মধ্যে ১৫টি জাহাজ ছিল বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলবাহী, ৮টি ছিল এলএনজি (LNG) এবং ৯টি জাহাজ এলপিজি (LPG) নিয়ে এসেছিল।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আরো পাঁচটি জ্বালানি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে আগামীকাল ১০ এপ্রিল এলপিজি নিয়ে ‘মর্নিং জেন’ এবং এলএনজি নিয়ে ‘এমেই’ বন্দরে পৌঁছানোর সিডিউল রয়েছে। নিয়মিত বিরতিতে অকটেন, এলএনজি ও এলপিজি বাহী জাহাজ আসায় রমজান ও পরবর্তী সময়ে জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।

