
মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা :
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী ও ২০৫তম শহীদ আবু হানিফ ছোটনের শাহাদাত বার্ষিকীতে তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার নেতৃবৃন্দ।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাকরা কোমরপুর ইউনিয়নের পদ্মশাখরা গ্রামে শহীদ আবু হানিফ ছোটনের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের খোঁজখবর নেন তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মুহা. আল মামুন, সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আবু তালেব, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রশিবিরের কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক নাঈমুর রহমান, শহর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান, অফিস সম্পাদক মো. নুরুন্নবী, অর্থ সম্পাদক মো. আরিফ বিল্লাহ, সাহিত্য সম্পাদক আবু সালেহ সাদ্দাম ও প্রকাশনা সম্পাদক আল রাজীব।
এছাড়া শহীদ আবু হানিফ ছোটনের পিতা শহর আলী গাজীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে ছাত্রশিবির সভাপতি মুহা. আল মামুন বলেন,
“শহীদ আবু হানিফ ছোটন ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তিনি যেমন সৎ ও দক্ষ ছিলেন, তেমনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক তরুণ। তাঁর পরিবার তাঁকে নিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু যারা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের বিচার এ দেশের মাটিতেই নিশ্চিত করতে হবে। খুনিদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের এই অগ্রযাত্রা থামবে না।”
তিনি শহীদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর আশ্বাস দেন।
অ্যাডভোকেট আবু তালেব বলেন,
“২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ডিবি পরিচয়ে সাদা মাইক্রোবাসে করে শহীদ আবু হানিফ ছোটনকে নিজ এলাকা থেকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সারা রাত নির্যাতনের পর ১৮ জানুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দরের পাশে যৌথ বাহিনীর গুলিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।”
উল্লেখ্য, শহীদ আবু হানিফ ছোটন ভোমরা ইউনিয়ন দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার সদর উপজেলার সাকরা কোমরপুর ইউনিয়নের পদ্মশাখরা গ্রামে।
পরিশেষে শহীদ আবু হানিফ ছোটনসহ সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

