আজ
|| ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শ্রীপুরে এক নারীর গর্ভস্থ সন্তানের দুই বাবা দাবী করে থানায় পৃথক মামলা
প্রকাশের তারিখঃ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
গাজীপুরের শ্রীপুরে এক ধর্ষিতা পোশাক শ্রমিক আট মাসের অন্ত:স্বত্তা। ভিকটিমের অভিযোগ ইমন ও আবুল নামের দুই ব্যক্তি পৃথক সময়ে তাকে ধর্ষণ করে। এতে সে এখন আট মাসের অন্ত:স্বত্তা। গর্ভের সন্তান কার এটি সে সঠিক বলতে পারেনা। দু’জনেই তাকে ধর্ষণ করায় তারাই এখন সন্তানের বাবা।
ভিকটিমের মায়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজন অভিযুক্ত ইমন ও আবুলকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে রবিবার শ্রীপুর মডেল থানায় পৃথক দুই মামলা করেন। অভিযুক্তদের পরিবারের অভিযোগ ওই নারী কিছু দিন পরপর নানা জনের সাথে সম্পর্কে জড়ান। এখন এক সন্তানের দুই বাবা দাবী করে থানায় পৃথক মামলা করেছেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, শ্রীপুর উপজেলার মাধখলা গ্রামের মৃত সুলতান উদ্দিনের ছেলে ইমন (৩২) ও মোঃ ইসমত আলীর পুত্র মো. আবুল হোসেন(৪০)।
ভিকটিম ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইমনের সাথে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ভিকটিমের। আট মাস পূর্বে গত জানুয়ারি মাসে ইমন ভিকটিমের সাথে শারিরিক সম্পর্ক করে। কিছু দিন পর আবুলও তার সাথে শারিরিক সম্পর্ক করে। সম্প্রতি ভিকটিমের শারিরিক সমস্যা দেখা দেয়। ভিকটিম চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে জানতে পায় সে আট মাসের অন্ত:স্বত্তা। ভিকটিমের মা শনিবার দুপুরে থানায় ওই দু’ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। পুলিশ ওই দু’ব্যক্তিকে আটক করে। ভিকটিমের অভিযোগ ওই দু’ব্যক্তির ধর্ষণের কারণে সে এখন অন্ত;স্বত্তা হয়েছে । পৃথক সময়ে ইমন ও আবুল শারিরিক সম্পর্ক করে তার সাথে। রবিবার থানায় ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেন ভিকটিমের মা। আবুলের স্ত্রী রুমা অভিযোগ করে বলেন, ওই নারী কার সাথে কি করেছে কে জানে। এখন এক সন্তানের দুই বাবা দাবী করছে। আমার স্বামীকে চক্রান্ত করে মামলায় ফাঁসিয়েছে।
ইমনের স্ত্রী সাদিয়া অভিযোগ করে বলেন, ওই নারীর বিরুদ্ধে নানা জনের সাথে শারিরীক সম্পর্কের কথা এলাকার সবাই জানে।এখন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার স্বামীকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। এক সন্তানের দুই বাবা হয় কি করে?ডিএনএ টেস্ট করলে সব পরিস্কার হয়ে যাবে। শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মহম্মদ আব্দুল বারিক জানান, ভিকটিমের অভিযোগ ওই দুই ব্যক্তি পৃথক সময়ে তার সাথে শারিরিক সম্পর্ক করেছে। এতে সে অন্ত:স্বত্তা হয়েছে তাই পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। সন্তান প্রসবের পর ডিএন এ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যাবে ওই সন্তানের প্রকৃত বাবা কে। অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেফতার করে রবিবার বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সম্পাদক: মো: রবিউল হক। প্রকাশক: মো: আশ্রাফ উদ্দিন ।
প্রকাশক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২, টয়েনবি সার্কুলার রোড (মামুন ম্যানশন, গ্রাউন্ড ফ্লোর), থানা-ওয়ারী, ঢাকা -১২০৩ থেকে মুদ্রিত
দেলোয়ার কমপ্লেক্স, ২৬ শহীদ নজরুল ইসলাম সড়ক (হাটখোলা), ওয়ারী, ঢাকা -১২০৩ থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭৯৮৬৫৫৫৫৫, ০১৭১২৪৬৮৬৫৪
ওয়েবসাইট : dailyjanadarpan.com , ই-পেপার : epaper.dailyjanadarpan.com
Copyright © 2026 Daily Janadarpan. All rights reserved.