আজ
|| ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
‘বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ভারতীয় নিষেধাজ্ঞার তেমন প্রভাব পড়েনি’
প্রকাশের তারিখঃ ১৯ মে, ২০২৫
বাংলাদেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর পঞ্চগড় জেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ভারতীয় নিষেধাজ্ঞার তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি। ভারতের পক্ষ থেকে কিছু পণ্যের আমদানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও, বাংলাবান্ধা দিয়ে রফতানি কার্যক্রম প্রায় স্বাভাবিক আছে বলে জানিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক ও শ্রমিকরা।
সোমবার (১৯ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, এই বন্দর দিয়ে মূলত ঝুট কাপড়, আলু ও কিছু প্লাস্টিক পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হয়। প্লাস্টিক পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় সম্প্রতি এসব পণ্যবাহী কয়েকটি ট্রাক গতকাল রোববার ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে ঝুট কাপড়ের রপ্তানিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা না থাকায় এর রফতানি অব্যাহত আছে।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের রপ্তানিকারক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বাংলাবান্ধা দিয়ে খুব বেশি পণ্য ভারতে রফতানি হয় না। তাই প্রভাবও কম। তবে পাথর বেশী আমদানি হয় এই বন্দর দিয়ে। কিছু দিন ধরে আলু রফতানি হচ্ছে সেটাও স্বাভাবিক আছে।
একই কথা বলেন সিএন্ডএফ এজেন্ট নুর ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে রফতানির চেয়ে আমদানি বেশি হয়। ভারত যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেক্ষেত্রে শুধু প্লাস্টিক পণ্যটি রফতানি হচ্ছে না। তবে বাকি সব পণ্য আমদানি ও রফতানি স্বাভাবিক আছে।
বাংলাবান্ধা ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ জানান, এখান থেকে কাঁচামাল জাতীয় পণ্য রফতানি স্বাভাবিক রয়েছে। পলিস্টার, কটন রেকস বা ঝুট রফতানি গতকালও হয়েছে। শুধু ফিনিশড পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, যেগুলো বাংলাবান্ধা দিয়ে রফতানি হয় না।
অপরদিকে, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে নেপাল ও ভূটানের সঙ্গে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলছে। শ্রমিক ও পরিবহনকর্মীরা জানায়, বন্দরে পণ্য ওঠানামা ও চলাচলে কোনো বাধা নেই। সার্বিকভাবে বন্দরের পরিবেশ স্বাভাবিক ও কার্যক্রম সচল আছে।
এর আগে, গত শনিবার ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি) এক বিবৃতিতে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ হতে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, গার্মেন্টস/তৈরি পোশাক পণ্যসহ সাত ধরনের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। যার জেরে অনেক স্থলবন্দরে এর প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অনেকটাই প্রভাবমুক্ত আছে।
সম্পাদক: মো: রবিউল হক। প্রকাশক: মো: আশ্রাফ উদ্দিন ।
প্রকাশক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২, টয়েনবি সার্কুলার রোড (মামুন ম্যানশন, গ্রাউন্ড ফ্লোর), থানা-ওয়ারী, ঢাকা -১২০৩ থেকে মুদ্রিত
দেলোয়ার কমপ্লেক্স, ২৬ শহীদ নজরুল ইসলাম সড়ক (হাটখোলা), ওয়ারী, ঢাকা -১২০৩ থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭৯৮৬৫৫৫৫৫, ০১৭১২৪৬৮৬৫৪
ওয়েবসাইট : dailyjanadarpan.com , ই-পেপার : epaper.dailyjanadarpan.com
Copyright © 2026 Daily Janadarpan. All rights reserved.